বুধবার, 02 সেপ্টেম্বর 2026 ঢাকা, বাংলাদেশ

বরিশালের চরমোনাইতে বিশ্বজয়ী হাফেজকে সংবর্ধনা, কোরআনকে ধারণকারীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি পীর সাহেব চরমোনাইয়ের।

ছাব্বির আহমাদ | 22 আগস্ট 2026, 06:05 PM | পঠিত: 41 বার
FB_IMG_1787398839561
বরিশাল প্রতিনিধি: সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ ১৩৩ দেশের প্রতিযোগীর মধ্যে ১৫ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারী বিশ্বজয়ী হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়াকে সংবর্ধনা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদে বিশ্বজয়ী হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়ার সম্মানে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাংলাদেশের তরুণ হাফেজে কোরআনরা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করে আসছেন। বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে তারা বাংলাদেশের নাম ও সম্মান উজ্জ্বল করছেন। এটি দেশের জন্য গৌরবের বিষয়। তিনি বলেন, “কোরআনকে ধারণ করে যারা বিশ্বের দরবারে দেশের সম্মান উজ্জ্বল করছেন, তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।” এসব হাফেজের অর্জন রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় উদযাপন এবং তাদের যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়ার সাফল্যের খবর জানতে পেরে পীর সাহেব চরমোনাই তাকে, তার উস্তাদ আর রায়হান মাদরাসার প্রিন্সিপাল মুফতী কাইয়ুম মোল্লা এবং বিশ্বজয়ী হাফেজের পিতা মাওলানা নুরুল আমিনকে চরমোনাইতে আমন্ত্রণ জানান। পরে তাদের সম্মানে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাই, প্রিন্সিপাল মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক হাসিব আর রহমানসহ চরমোনাই জামেয়ার উস্তাদবৃন্দ। এদিকে সৌদি আরবের একই আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ৩০ পারা বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফীকেও পীর সাহেব চরমোনাই আমন্ত্রণ জানিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া প্রতিযোগিতায় নারী বিভাগে বিজয়ী হাফেজাদের কাছেও সংবর্ধনাপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি হাফেজদের ধারাবাহিক সাফল্যকে দেশের জন্য গৌরবের বিষয় উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, কোরআনের হিফজ ও চর্চায় তরুণদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের অর্জনের যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি প্রয়োজন।

মন্তব্য

0টি মন্তব্য

আপনার মন্তব্য লিখুন

-এর মন্তব্যের উত্তর লিখছেন।
মন্তব্য প্রকাশের আগে সম্পাদকীয় অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।

সম্পর্কিত সংবাদ