সোমবার, 19 অক্টোবর 2026 ঢাকা, বাংলাদেশ

ঋণ দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, পটুয়াখালীতে কার্যালয় বন্ধ করে উধাও।

মোঃ তামিম | 20 আগস্ট 2026, 06:19 AM | পঠিত: 50 বার
Screenshot_2026-08-19-20-02-41-223_com.facebook.katana-edit
নিজস্ব প্রতিবেদক: পটুয়াখালী শহরের কালিকাপুর ইউনিয়নের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে ভাড়া করা কার্যালয়ে ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। টাকা নেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে ঋণ না দিয়ে কার্যালয় বন্ধ করে সংশ্লিষ্টরা চলে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ঋণের টাকা নিতে এসে কার্যালয় বন্ধ দেখতে পান প্রায় ৩০ জন গ্রাহক। পরে তারা বিষয়টি বাড়ির মালিকের পরিবারের সদস্যদের জানান। এ সময় টাকা দিয়ে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগীরা। একজন গ্রাহক বলেন, ‘আমরা এই অফিসে বসেই টাকা দিয়েছি। এখানে ল্যাপটপ, বিভিন্ন কাগজপত্র, টেবিল-চেয়ার ছিল। তারা নিজেদের নতুন সংগঠন হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। বাড়ির মালিকের ছেলের সামনেও আমরা টাকা দিয়েছি।’ ভাড়া করা বাড়ির মালিক মাওলানা জাফর খানের ছেলে সোহাগ বলেন, ‘গতকাল ওই লোকজন আমাদের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে আসে। তারা কোনো অগ্রিম টাকা দেয়নি। ভোটার আইডি কার্ডের কপিও দেয়নি। কয়েকটি টেবিল-চেয়ার এনে অফিসের মতো করে সাজিয়েছিল। এর বেশি তাদের বিষয়ে আমরা জানতাম না। আজ দুপুরে শুনি, তারা মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সমস্যায় ফেলেছে।’ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে ঋণ নিতে এসে তারা কার্যালয়টি বন্ধ দেখতে পান। এরপর প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তারা। এদিকে কার্যালয়ে ব্যবহৃত ব্যানারে ‘সমাজকল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ০৪৩৯/১৯৯০ এবং পিকেএসএফের আর্থিক সহযোগিতার দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা টাকা ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মন্তব্য

0টি মন্তব্য

আপনার মন্তব্য লিখুন

-এর মন্তব্যের উত্তর লিখছেন।
মন্তব্য প্রকাশের আগে সম্পাদকীয় অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।

সম্পর্কিত সংবাদ